মুহাম্মদিয়া ইসলামিয়া হাফিজিয়া দাখিল মাদরাসা তার শিক্ষাযাত্রা শুরু করে ০১ জানুয়ারি ২০০৩ তারিখে, প্রাথমিক স্তরের প্রতিষ্ঠান হিসেবে (প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত)। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই অল্প সময়ের মধ্যে এটি সিলেটের অন্যতম উল্লেখযোগ্য মাদরাসায় পরিণত হয়েছে। শিক্ষা বোর্ডে এর রয়েছে সুনাম ও একাডেমিক উৎকর্ষের ধারাবাহিকতা। মাদরাসাটি ০১ জানুয়ারি ২০০৫ তারিখে প্রাথমিক অনুমতি লাভ করে। পরবর্তীতে ধারাবাহিক সাফল্য ও শিক্ষা কার্যক্রমের মানোন্নয়নের ফলে শিক্ষা বোর্ড ০১ জানুয়ারি ২০০৯ তারিখে একাডেমিক স্বীকৃতি প্রদান করে। এর পরের বছরই প্রতিষ্ঠানটি এমপিও (Monthly Pay Order) সুবিধা লাভ করে, যা একটি বড় অর্জন। অতিসম্প্রতি প্রতিষ্ঠিত হলেও, এর কার্যক্রম, মানসম্মত শিক্ষা এবং শৃঙ্খলা মাদরাসাটিকে দেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত করেছে। এটুকু বললে অত্যুক্তি হবে না যে—যথাযথ দিকনির্দেশনা, অভিভাবক ও স্থানীয় দাতাগণের সহায়তা এবং সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে অতি… [ আরও পড়ুন ]
| পবিত্র ঈদুল আদ্বহা ও গ্রীষ্মকালীন অবকাশ-২০২৬ |
২৪ মে, ২০২৬ |
|
| মাদ্রাসা খোলার নোটিশ |
২৫ মার্চ, ২০২৬ |
|
| পাঠ পরিকল্পনা ও একাডেমিক ক্যালেন্ডার ২০২৬ |
০৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ |
|
| ২০২৬ সালের দাখিল পরীক্ষার সময়সূচি |
২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ |
মোট শিক্ষক
মোট শিক্ষার্থী
মোট সদস্য
মোট কর্মচারী
بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيم মানব জীবনের প্রকৃত সফলতা নিহিত রয়েছে পবিত্র কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে নিজের চরিত্র, চিন্তা ও জীবনকে গড়ে তোলায়। একটি নৈতিক, শান্তিময় ও আলোকিত সমাজ গঠনের জন্য প্রয়োজন আদর্শ শিক্ষা— যে শিক্ষা মানুষকে শুধু বিদ্যান নয়, বরং মানবিক, সচেতন, দায়িত্বশীল ও আল্লাহভীরু বানায়। এই প্রেরণা ও উপলব্ধি থেকেই মুহাম্মদিয়া ইসলামিয়া হাফিজিয়া দাখিল মাদরাসা প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। প্রতিষ্ঠার শুরুর সময়ে বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা, অর্থনৈতিক সংকট, জনবল ঘাটতি এবং অবকাঠামোগত দুর্বলতা থাকা সত্ত্বেও আমরা বিশ্বাস রেখেছিলাম—“নেক নিয়ত ও কল্যাণের কাজ কখনও বিফল হয় না।” আলহামদুলিল্লাহ, আজ সেই বিশ্বাসই বাস্তবে রূপ নিয়েছে। আল্লাহর অশেষ রহমত, সমাজের ধর্মপ্রাণ মানুষের অকুণ্ঠ সমর্থন, শিক্ষকমণ্ডলীর আত্মনিবেদন ও অভিভাবকদের আস্থা— এসবই আমাদের মাদরাসাকে ধীরে ধীরে একটি স্বনামধন্য দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিণত করেছে। আমাদের দর্শন ছিল স্পষ্ট— শুদ্ধ আকিদা ও ইসলামী আদর্শের ভিত্তিতে আলোকিত প্রজন্ম তৈরি করা, হিফজ, কিরাত, তাফসির, ফিকহ ও আরবি শিক্ষার পাশাপাশি আধুনিক সাধারণ শিক্ষা নিশ্চিত করা, টেকসই নৈতিকতা ও মানসিক পরিশুদ্ধতা গড়ে তোলা, নেতৃত্বগুণ, সৃজনশীলতা, মানবিকতা ও দায়িত্ববোধের চর্চা বাড়ানো, একটি… [ বিস্তারিত ]
بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيم শিক্ষা আলোর পথ। সেই আলোকে অনুসরণ করে আমাদের ছাত্রছাত্রীরা যেন জীবনমুখী জ্ঞান ও সত্যের সন্ধান পায়— এটাই মুহাম্মদিয়া ইসলামিয়া হাফিজিয়া দাখিল মাদরাসার মূল লক্ষ্য, দৃষ্টিভঙ্গি ও অঙ্গীকার। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে আমরা সুরুচিপূর্ণ পরিবেশ, মননশীল শিক্ষা এবং ইসলামী আদর্শভিত্তিক চরিত্র গঠনের মাধ্যমে একটি আলোকিত প্রজন্ম তৈরির কাজে নিয়োজিত আছি। বর্তমান বিশ্ব দ্রুত পরিবর্তনশীল। জ্ঞান, প্রযুক্তি ও আধ্যাত্মিকতার সমন্বয় ছাড়া কোনো জাতি এগিয়ে যেতে পারে না। সেজন্য আমাদের মাদরাসায় পবিত্র কুরআনের হিফজ, ইসলামি শিক্ষার গভীরতা, আধুনিক সাধারণ শিক্ষা, আরবি ভাষা, তথ্যপ্রযুক্তি শিক্ষা এবং নৈতিকতার সমন্বয়ে সমৃদ্ধ একটি পাঠক্রম অনুসরণ করা হয়। আমাদের লক্ষ্য— এমন এক প্রজন্ম গড়ে তোলা যারা হবে আদর্শবান, পরিশ্রমী, দেশপ্রেমিক, সৃজনশীল ও দায়িত্বশীল। শিক্ষার্থীরা যেন কুরআনের আলো নিজের জীবনে প্রয়োগ করে সঠিক চরিত্র গঠন করতে পারে, পরিবার-সমাজ-রাষ্ট্রের কল্যাণে অবদান রাখতে পারে— সেজন্য আমাদের শিক্ষকবৃন্দ আন্তরিক নিষ্ঠা, ধৈর্য ও ভালোবাসা দিয়ে তাদের পথ দেখিয়ে যাচ্ছেন। আমরা বিশ্বাস করি, একজন সৎ ও আদর্শবান শিক্ষার্থীই ভবিষ্যতে একজন সৎ নেতা, সফল পেশাজীবী ও নৈতিক মানুষ হয়ে সমাজকে আলোকিত… [ বিস্তারিত ]
কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
আজকে
গতকালকে
এই সপ্তাহে
এই মাসে
এই বছরে
সর্বমোট